মহালয়ার পুণ্য প্রভাতে বাইরে বেরিয়েই এক ছায়ান্ধকারে পঞ্চু আবিষ্কার করল এক সর্দারজীকে। সাড়হীন সর্দারজীকে কি হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল? এই নিয়ে জমে উঠল রহস্য। আর এই রহস্যের জট খুলতেই পাণ্ডব গোয়েন্দাদের যেতে হল কালকার কাছে রামগড়ে। যেখানে দুর্ভেদ্য পাহাড়ের গুহায় সদলবলে বাস করছিল কুখ্যাত দস্যু বরাব্বর সিং। সর্দারজীর একমাত্র মেয়ে চাঁদনি এই বরাব্বরের গ্রাস থেকে তাদের পরিবারের অনেকেরই হত্যার বদলা নিতে ছেলেমানুষী জেদে কাউকে কিছু না জানিয়েই উধাও হল একদিন। তারই সন্ধানে যেতে গিয়ে পাণ্ডব গোয়েন্দাদের সঙ্গী হল সাহারানপুরের এমন এক কিশোরী যে কিনা অল্প বয়সেই খ্যাতিমান এক রাইফেল শুটার। আরো অনেক চরিত্রের সমন্বয়ে শিবলিক পর্বতমালার পাদদেশ থেকে সিমলা পাহাড়ের নীচে রামগড়ের দুর্ভেদ্য দুর্গে শুরু হল ভয়ঙ্কর অভিযান। পাহাড়-নদী ও ঝর্নার পরিবেশে রুদ্ধশ্বাস এবং ঠাসবুনোট এক কাহিনী নিয়েই পাণ্ডব গোয়েন্দার এই একাদশ খণ্ড।